Showing posts with label প্যাঁচআল । সমকাল ।. Show all posts
Showing posts with label প্যাঁচআল । সমকাল ।. Show all posts

Tuesday, May 15, 2018

মশাকে যে কারণে ভালোবাসি

► মশা একটি গৃহপালিত পাখি। এরা খাঁচা ছাড়াই যুগ যুগ ধরে মনুষ্যজাতির সঙ্গে গৃহে বসবাস করে আসছে। এরা অন্য পাখির মতো বেঈমান নয় যে সুযোগ পেলেই উড়ে চলে যাবে।
► মশা হলো প্রকৃতির সংগীতশিল্পী। কোনো চার্জ ও টিকিট ছাড়া সে অনবরত আমাদের গান শুনিয়ে বিনোদন দিয়ে থাকে।
► যখন রাগ হয়, তখন থাপড়িয়ে কয়েকটা মশা মেরে রাগ প্রশমন করতে পারি। কোনো মশাধিকার কমিশন বা মশা রক্ষা কমিশন আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আসে না।
► মশা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, এক হাতে তালি বাজে না, সে জন্য দুই হাতই দরকার।
► মশা আছে বলেই আমাদের সিটি করপোরেশনের মশা মারা কমিটি পরিবারসহ খেয়েদেয়ে বেঁচে আছে।
► মশা আছে বলেই শ্রমিকরা মশার কয়েল, মশারি, স্প্রে বানিয়ে অর্থনীতির চাকা সচল রাখে।
► মশা আছে বলেই আমরা বুঝি, আমাদের চারপাশ নোংরা হয়ে আছে, পরিষ্কার করতে হবে।
► পরিশেষে কবির কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে বলতে হয়—‘মানুষ আর মশা বাহিরে কেবল, ভেতরে সবার সমান রাঙা। ’
প্রকাশিত: কালের কন্ঠ | ঘোড়ার ডিম
০৩-০২-২০১৮

Tuesday, December 20, 2016

চাপাবাজি যদি এই লেভেলের হয়

প্রথম ব্যক্তি : আরে আমার দাদা ছিল হাজী মুহাম্মদ মুহসীনের পরই দ্বিতীয় উদার ব্যক্তি। তার একটা সোনার ডিমপাড়া হাঁস ছিল। একবার বাসায় অতিথি আসছিল আর সেই সোনার ডিম পাড়া হাঁসটা কেটে অতিথিদের খাওয়াইছিল। চিন্তা করেন কত বড় কলিজাওয়ালা লোক ছিল।

দ্বিতীয় ব্যক্তি : আমার দাদার ছিল তিন তলাবিশিষ্ট পুকুর। সেখানে ইলিশের চাষ হতো আর পুকুরের ছাদে বইসা বড়শি দিয়া মাছ ধরত লোকজন। সে কী অসাধারণ দৃশ্য ছিল বলার মতো না।

তৃতীয় ব্যক্তি : আমার নানার ছিল বিশাল ধানের গোলা। যেটা নাকি কখনোই ফুরাত না। একবার এক চোর চুরি করতে আসছে আর নানা চোরকে কষাইয়া একটা থাপ্পড় মারছে। কারণ চোর ছোট বস্তা নিয়ে আসছে কেন!

চতুর্থ ব্যক্তি : ধুর! এসব কিছু না। আমার নানার অনেক স্ত্রী ছিল। এলাকার কাউকে আলাদা করে বিয়ে করতে হতো না। নানা বিয়ে করে করে বউদের দিয়ে দিত অন্য কাউকে। কি বিগ হার্টেট ছিল ভাবা যায়!

প্যাঁচআল লিংক

Monday, December 12, 2016

শীতের গোসলকে আর নয় ভয়

শীতে আপনি কি গোসল করতে ভয় পাচ্ছেন? বহুবার গোসলখানার দরজায় গিয়েও উল্টো পথে হেঁটেছেন? একদিন গোসল করলেও তিন দিন গোসল না করে বাজারের পারফিউমের দাম চড়ায় তুলে ফেলেছেন? হে হে তাহলে আপনার জন্য এই তরিকা।
  • প্রথমে ঘুম থেকে উঠেই ঘরের ভিতর (চিপা জায়গা থাকলে একই জায়গায়) ম্যারাথন দৌড়ের প্রাকটিস করুন। প্রয়োজনে খাটকে মাঠ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
  • কিছুক্ষণ পর আস্তে আস্তে গোসলখানার দিকে হেঁটে যান। দরজায় নক করার দরকার নেই। দরজা খোলাই থাকবে গুটি গুটি পায়ে ঢুকে দরজা লক করে দিন।
  • এবার আসল খেলা শুরু, পানির টেপ ছেড়ে দিন। আস্তে আস্তে পানিতে হাত ছোঁয়ান। দেখবেন পানি আপনাকে এমনভাবে ছিটকা মারবে যেন প্রথম ডেটিংয়েই ভুল করে প্রেমিকার হাত ধরে ফেলেছেন।
  • হাল ছাড়া যাবে না। মনে মনে শাকিরার ‘ওয়াকা ওয়াকা’ গান গাইতে থাকুন আর নিজের সম্পূর্ণ শিল্পগুন দিয়ে নাচতে চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন এ গান শেষ হওয়ার আগেই দু হাত পা ভিজাতে হবে।
  •  ভাবুন আপনি বেয়ার গ্রেলস। ম্যান ভার্সেস কোল্ড ওয়াটারে কীভাবে টিকে থাকতে হয় এটা আপনার চেয়ে কেউ ভালো জানে না। এই মানসিক শক্তি আপনাকে অনেকটা কাজে দেবে এ অভিযানে।
  • তারপর মাথা পানির নিচে দিয়ে মনে মনে গাইতে থাকুন ‘ঝাকানাকা ঝাকানাকা দেহ দোলা না..!’ আর মাথাকে হাফ সমকোণে অনবরত ঝুলাতে থাকুন।
  • এবার ভাবুন সিসি ক্যামেরায় আপানার এ দৃশ্য লাইভ দেখানো হচ্ছে কোন সুন্দরী আপ্পি সমাজ সমৃদ্ধ লেডিস হলের টিভি রুমে। কি বেইজ্জতি কারবার ঘটে যাবে ভয় পেলে ভাবুন তো!
  • এতোক্ষণে পানিরা আপনার ধৈর্য পরীক্ষায় খুশি হয়ে দেখবেন গরম পানির ব্যবস্থা করে দিয়েছে। 
  • এবার সব ভাবনা বাদ দিয়ে বাস্তব জগতে আসুন। আর খেয়াল করুন আপনার অফিস টাইম অতিক্রম হয়ে যাচ্ছে না তো?
  • জানি হয়েছে! সবশেষে খিচ্চা দৌড়ে বের হয়ে যান। হে হে কাপড় পরতে ভুলবেন না যেন! মনে রাখবেন, ‘গোসলের চেয়ে ইজ্জত বড়’। 
  প্রকাশিতঃ ১২-১২-২০১৬

Monday, November 14, 2016

প্যাঁচআল

সোমবারের সমকাল পত্রিকার ট্যাবলয়েড “প্যাঁচআল” এ আমার লেখা।

বিষয়ঃ হাতের লেখা খারাপ হওয়ার উপকারিতা।