Tuesday, May 15, 2018

ধর্ষণ এড়িয়ে চলার তরিকা

রাতে একা বের হয়ো না
পুরুষেরা তাতে উদ্দীপ্ত হন।
কখনোই একা বের হয়ো না
কিছু পুরুষ যেকোন পরিস্থিতিতেই উদ্দীপ্ত হয়ে ওঠেন।

ঘরে থেকো না
মেহমান এবং আত্মীয় যে কেউই ধর্ষণ করতে পারেন।
পোশাক ছাড়া চলাফেরা কোরো না
পুরুষেরা এতে উদ্দীপ্ত হন।
পোশাক পরেও কোথাও যেও না
যেকোন পোশাকই কিছু পুরুষকে উদ্দীপ্ত করে।
বাল্যকাল এড়িয়ে চলো
কিছু ধর্ষণকারী আগ্রহী হন বালিকাদের প্রতি।
বৃদ্ধকাল এড়িয়ে চলো
কিছু ধর্ষণকারীর পছন্দ বয়স্ক মহিলা।
বাবা, দাদা,
চাচা এবং ভ্রাতা - না থাকাই ভালো
এরাও ধর্ষণ করে থাকেন।
বিয়ে কোরো না
বিয়ের সম্পর্কে ধর্ষণ জায়েজ।
সত্যি কথা বলতে কী-
সবচেয়ে ভালো হয় যদি
তুমি নিজেই 'নাই' হয়ে যাও।
অনুবাদ: London Rape Crisis Center থেকে।

আসিফা

ASIFA ❤️
অসাধারণ লেখা, তাই শেয়ার করলাম!
বেশ্যা......
বিছানাতেই হড়হড় করে বমি করে ফেললো গনেশ। চোলাই'টা আজ বেশি টানা হয়ে গেছে।সাথের ফুলুরি'টাও শালা ঠান্ডা ছিলো, অম্বল হয়ে গেছে নির্ঘাৎ!
---"শালা ঢ্যামনা, দিলি তো শালা বিছানা ভাসিয়ে? সকাল থেকে গিলে বসে আছিস নাকি বে? চুল্লুখোর শালা! সন্ধ্যে সন্ধ্যে দিলো শালা সব একশা করে! ধুপ দিলাম এই সবে, দিলো হারামী'টা বারোটা বাজিয়ে...." ---বকবক করেই চলেছে বিজলী!
গনেশ জানে, এখন কিছু বলতে গেলেই আরও খিস্তি খাবে। তাই কাচুমাচু হয়ে চুপ করে রইলো।
---"আবে এই শালা, শুয়োরের বাচ্চা, বসে আছিস যে? ওঠ! নাম খাট থেকে! তোর বাপ এসে সব পরিস্কার করে দেবে নাকি রে গান্ডু...."
তড়িঘড়ি খাট থেকে নেমে এলো গনেশ। বাথরুমে যেতে হবে একবার, বলতে সাহস হলোনা। চুপচাপ নিজেই চলে গেল! ভালো করে মুখ হাত ধুতে ধুতে ভাবলো, কিছু টাকা এক্সট্রা দিয়ে দেবো বিজলী'কে। আজ টোটো চালিয়ে নেহাত মন্দ রোজগার হয়নি।
---"এই শালা, আর বমি করলে কেলিয়ে বৃন্দাবন দেখিয়ে দেবো!"
---"না না আর হবেনা!"
বিজলী এইটুকু সময়ের মধ্যেই সুন্দর করে চাদর পাল্টে, সব ধুয়ে, বেশ ক'টা ধুপ জ্বালিয়ে দিয়েছে।
আধঘন্টা পর....
---"নে নে... এবার ফোট! অন্য খদ্দের আসবে!"
গনেশ পকেট থেকে পাঁচটা একশো টাকার নোট বের করলো।
---"এই নে।"
---"পাঁচটা কেন বে? আজ কি এমন মধু পেলি বাবা, যে একশো বেশি?"
---"ওসব না। তোর ঘর নোংরা করলাম। আর আজ রোজগার ভালোই হয়েছে রে। এক বিয়েবাড়ির ভাড়া ছিল....."
---"আজ কিছুই লাগবেনা। ফিরি।"
---"ফ্রি? সে কিরে!"
---"হ্যাঁ, ফিরি। কানের মাথা খেয়েছিস নাকি?"
---"কিন্তু কেন? এরকম তো কোনোদিন....."
---"আজ, কাল, দু'দিন ফিরি করে দিয়েছি আমরা। এই পুরো মহল্লা। ওই যে, রেপ হয়েছে না কোথায়, তাই।"
অবাক হয়ে গেলো গনেশ!
---"তার জন্য তোরা ফ্রি কেন করলি? প্রতিবাদ? এরপর কি মোমবাতি নিয়েও নামবি নাকি? ভুখ হড়তাল করবি?"
---"না। ওসব শালা পতিবাদ টতিবাদ না। এতো ক্ষিদে নিয়ে ঘুরছিস তো তোরা... আট বছরের বাচ্ছাটাও সুড়সুড়ি দিলো তোদের... এতই কামড় তোদের। তাই আর কি। এই দু'দিন তোদের মতো ব্যাটাছেলেদের জন্য আমরা ফিরি। কত ক্ষিদে তোদের, মিটিয়ে যা মাগনায়।বাচ্ছাগুলোকে ছাড়ান দে, এই দুদিন না হয়....."
কথা নেই গনেশের মুখে! ব্যাটাছেলে হয়ে জন্মে এই প্রথম লজ্জা করছে তার!
বিজলী নির্বিকার....
---"নে নে। অনেক ভড়ং হলো। ফোট এবার। পরের মালকে আসতে দে......"
বেশ্যাপট্টি থেকে বেড়িয়ে গনেশের মনে হলো, এরকম ভাবে সবাই যদি ভাবতে পারতো! ওই বেশ্যাগুলোর জন্য একজনও যদি রেহাই পায়.....!!! কপালে দু'হাত ঠেকিয়ে প্রণাম করলো গনেশ। কার উদ্দেশ্যে? নিজেই জানেনা!!!


(সংগ্রহীত)

হুম নিতে পারো

- এই শাড়িটায় আমাকে ভালো লাগবে?
- হুম, নিতে পারো।
- কিন্তু এর এমব্রয়ডারিতে আরেকটু কাজ করা হলে ভালো হত।
- তাহলে থাক।
- তবে কালারটা বেশ মানাবে আমাকে, তাই না?
- হুম, নিতে পারো।
- দিনের বেলা এতোটা কালারফুল লাগবে বলে মনে হয় না।
- তাহলে থাক।
- তবে পাশের বাসার ভাবীরটার চেয়েও এটা জোস।
- হুম, নিতে পারো।
- তবে সুতোটা বেশি সুবিধার মনে হচ্ছে না।
- তাহলে থাক।
- এই দেখো বর্ডারের কাজটা দারুণ কিন্তু।
- হুম, নিতে পারো।
- কয়েকদিন পরার পর রং ফ্যাকাসে হয়ে যাবে মনে হচ্ছে।
- তাহলে থাক।
- ধুর ছাতার মাথা, কয়দিন আর পরবো। কাপড়ইতো।
- হুম, নিতে পারো।
- দাম বোধহয় বেশিই হবে একটু।
- তাহলে থাক।
- (দাম জিজ্ঞস করার পর) দামও তো বেশি না, ভালোই হয়। নিবো?
- হুম, নিতে পারো।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বেচারা স্বামী এখনো বকে যাচ্ছে-
তাহলে থাক, হুম নিতে পারো তাহলে থাক, হুম নিতে পারো.....

প্রেমিকার নাম বৃষ্টি

বন্ধুকে ইনবক্স করে বললাম, তোর প্রেমিকাকে একটু কন্ট্রোলে রাখতে পারিস না। সবসময় এতো বিরক্ত করে কেন। আমার ধৈর্যের লাইন অব কন্ট্রোল ভেঙ্গে ফেলতেছে।
ও আগে প্রশ্নবোধক চিহ্ন দিয়ে পরে জিজ্ঞেস করলো, কীসব আবোল তাবোল কচ্ছিস।
লিখলাম, তো আর কচ্ছি কী। এমন বেহায়া হয় কারো প্রেমিকা!
ও কইলো, ব্যাডা খুইলা ক। মেজাজ টেজাজ খারাপ হইতাছে।
কইলাম, এইটাই তো। মেজাজ খারাপ হইবো তোদের, ঝগড়া করবি তোরা আর তোর প্রেমিকা কাইন্দা সবাইকে ভিজাইয়া দিবো এইটা কেমন কথা।
রিপ্লাই আসলো, তুই জীবনেও ভালো হইবি না। আমার গার্লফ্রেন্ডের নাম বৃষ্টি হইলে সেখানে আমার কী করার আছে। ওর জন্মের সময় তো আর আমারে জিগাইয়া নামকরণ করে নাই হারামি। যা ভাগ।

বিড়াল গল্পের প্রতিক্রিয়া

....প্রাতঃকালে পেটানন্দের লাগিয়া মুড়ি চানাচুর মাখিয়া লইলাম। অর্ধেক ভিতরে চালান করিবার পর বুকসেল্ফ নাড়িতে চাড়িতে বঙ্কিমচন্দ্রের বিখ্যাত 'বিড়াল' গল্প সামনে আসিয়া হাজির হইলো।
বিড়াল গল্পে মুখ ডুবাইয়া পড়িতে পড়িতে হঠাৎ খেয়াল করিলাম সাদা-কালো বিড়ালটা আমার মুড়ির বাটিতে মুখ ডুবাইবার চেষ্টা করিতেছে। আমি চোখ ফিরাইয়া কিছু বলিতে উদ্যত হইবো এমন সময় এন্টেনায় খেলিয়া গেল, এই খাবারে আমার যতটুকু অধিকার রহিয়াছে ঐ বিড়ালটারও ততটুকু অধিকার রহিয়াছে। আমি মোটা গতরের মনুষ্য বলিয়া ওর অধিকার অস্বীকার করাটা বড়ই অনুচিত কার্য হইবে।
ঠোঁটে ঠোঁট চাপিয়া কোনো রকম ভেংচি না কাটিয়া নীরবে ঐ মুড়ির অধিকার ছাড়িয়া বঙ্কিমে মন দিলাম। আর মনে মনে বলিলাম, খা বিড়াল খা। অন্তত তোকে না খাইতে দিলে বঙ্কিমচন্দ্রের এই বিড়াল গল্প লেখাটাই যে সময় নষ্ট বলিয়া ইতিহাস সাক্ষী হইয়া থাকিবে।
খানিক বাদেই মুখ তুলিলাম। বিড়াল আমার পানে তাকাইয়া মুখ ভেংচি কাটিয়া এক পিস মুড়িও না খাইয়া বলিয়া উঠিল, আমি তোর মতো দুর্ভিক্ষ পীড়িত নহে যে মুড়ি খাইবো, হু।
পৃথিবী বড়ই নিষ্ঠুর। সে পৃথিবীর মানব হিসেবে আমার ভাগ্য আরো নিষ্ঠুরতা সহ্য করিয়া যাইতেছে। ইহা নতুন কিছু নহে। যাহাকেই প্রাণ খুলিয়া ভালোবাসা বিলাইয়া দিয়াছি সে-ই আমার ভালোবাসাকে অবজ্ঞা করিয়া চলিয়া গিয়াছে।

সিজিপিএ

- হ্যালো, কি? 4.83? ওর ভাত বন্ধ দুপুর থেকে। ওরে বলে দেও যেন যেদিকে মন চায় বের হয়ে যায়। আমি আসতেছি..... অপদার্থ যত্তসব।

বলেই মাথা চুলকাতে চুলকাতে বসের রুমে গেলেন লিখন সাহেব।
স্যার, আপনাকে সেদিন বলেছিলাম না যে আজ আমার আর্জেন্ট যেতে হতে পারে এক জায়গায়। আমার এখনি যেতে হবে।
আচ্ছা আচ্ছা। ঠিকাছে যান।

অফিস থেকে বের হয়ে একটা দোকানে ঢুকলেন । বাসা থেকে বের হওয়ার সময়ই ভেবে রেখেছিলেন এ দোকানে ঢুকবেন। তাড়াহুড়ো করে বেড়িয়ে বাড়ির বাস ধরলেন।

ক্রিং ক্রিং......

দরজায় খুলতেই উচ্চস্বরে চেঁচামেচি। কই গাধাটা কই? ওকে ভাত দিয়েছ দুপুরে? বের হয় নাই এখনো?

কি হইছে? কোনদিন তো ছেলের পড়াশোনার ব্যাপারে নাক গলাতে শুনি নি। আজ এত হট কেন! আস্তে আস্তে বলতে লাগলেন মিসেস লিখন।

কি হইছে মানে! তুমি জানো না কি করছে ও। এখানে নিয়ে আসো তোমার গুনধর ছেলেকে। ওর গালটা আমার হাতের কাছে এনে দাও। অফিস থেকে চলে আসছি কি এমনি এমনি!

ছেলেকে সামনে এনে দাঁড় করালেন। মাথা নিচু হয়ে হাঁটু কাপা অবস্থা তার। জিপিএ ফাইভ পায় নি বলে তার বাবা এমন করবে ভাবতেও পারে নি সে। পড়াশোনা তো কম করে নি, তার কি দোষ!

কি খবর নেতা আপনার? মাথা নিচু কেন? মাথা উঁচু করেন।

মাথা তুলতেই ব্যাগ থেকে বের করে দিলেন সদ্য কেনা গিফটগুলো।
মুহূর্তেই থ হয়ে গেলেন মা ও ছেলে। কিছুই বুঝতে পারলেন না কি হল।
ছেলেকে বুকে টেনে নিলেন লিখন সাহেব। বাচ্চা তুই মাথা উঁচু করে থাকবি। অনেক ভালো রেজাল্ট করেছিস। আর বাবাকে কেউ ভয় পায় বোকা! আমি তো তোর বন্ধুর মতই। আসো আমরা একসাথে খাবো বলে তোমাকে খেতে দিতে না করেছি। ঐ তুমি কেমন মা, ছেলেটাকে একটু আদর করো না পাশ করার পরও।

তুমি যে কি আমি আজও চিনতে পারলাম না গো। গলায় বিস্ময় মেখে বললেন মিসেস।

হে হে এই লিখনকে চেনা এত সহজ না।


 

Thursday, February 1, 2018

লাল টিপ লাল শাড়ি


রাজীব নন্দী:
"জয়িতা কোথায়? মিথিলা কোথায়? ওদের জন্য আমার খুব কষ্ট হচ্ছে। ওদের দেখতে ইচ্ছে করছে।"

       বইটা পড়া শেষে এভাবেই ইনবক্স করলাম লেখককে।

নাহ, রিভিউ লিখতে বসি নি। দু'চার কথা না বললেই নয়। তাই কিবোর্ডে হাত রাখা।

বইয়ের প্রথম পাতায় একটা প্যারা পড়েই চুল টানতে টানতে বলতে লাগলাম, আসলেই তো। কি সেই প্যারা যা কোট করে না দিলেই নয়!
                           “নিচু একটা জায়গায় পানি জমে আছে। হৃদয় সেই পানিতে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাচ্ছে। সামান্য বাতাসে পানি নড়ছে, তার ছায়া ভেঙ্গে ভেঙ্গ যাচ্ছে। দুই-তিন-পাঁচ টুকরো হয়ে যাচ্ছে সে। এটাই একটা মানুষের প্রতিচ্ছবি। কোনো মানুষই তো একটা মানুষ নয়।”

উপন্যাসের নায়ক হৃদয়। যে জানে না তার জন্মপরিচয়। কেবল জানে মানুষের সেবার মাধ্যমে, মানুষে মানুষে ভালোবাসার চর্চায়, দেশপ্রেম বুকে ধারণ করে আমাদের পৃথিবীটা নিখাদ সুন্দর হয়ে উঠতে পারে। তাই পরস্পরের ভালোবাসাটা পৃথিবীর জন্য বড্ড জরুরি। মানব প্রজাতি পানি ছাড়া হয়তো এক সপ্তাহ, খাবার ছাড়া দুই সপ্তাহ, ঘরবাড়ি ছাড়া হয়তো অনেক বছর বাঁচতে পারে কিন্তু নিঃসঙ্গতায় সে বাঁচতে পারে না। ধুঁকে ধুঁকে মরে কিংবা দিব্যি একটি লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স হয় ঘুরে বেড়ায়।

মিথিলা। মাদকাসক্ত চরিত্র। আধুনিকতার নামে আজকাল আনেকে মাদককে যে ফ্যাশন হিসেবে ব্যবহার করে সেটাই লেখক চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন। অবকাঠামোগত উন্নয়নইতো সব নয়। যদি দেশের যুব সমাজ এসব নেশায় জড়িয়ে নিজেদের শেষ করে ফেলে তাহলে অতসব উন্নয়ন কার জন্য? মূলত এই প্রশ্নই ছুড়ে দিয়েছেন পাঠকের দিকে।

এদেশে কোটি কোটি টাকা ব্যাংক থেকে হাওয়া হয়ে যাবে, দেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে কিংবা ঘুষের জোয়ারে ভেসে যাবে ফাইল সেসব মানুষ মেনে নেবে। কিন্তু প্রেমিকার হাত ধরে আপনি নদীর পাড়ে হাঁটতে গেলেন, কাশবনে ঘুরতে গেলেন, কিংবা এক বিকেল দুজনে ছাদে বেড়াতে গেলেন তখনই কিছু কিট এসে আপনাদের হেনস্তা করার চেষ্টা করবে। জয়িতারা সেরকম কিছু কিটের লোলুপ দৃষ্টির থাবায় পড়ে হারিয়ে যায়।

মিতু ভাবী। যাকে আমার ভালো লেগে যায় তার ভালোবাসার তীব্রতার জন্য। ভালোবাসি বলার চেয়ে ভালোবাসতে পারাটা, ভালোবাসতে শেখাটা আগে দরকার। এরকম একটা ভাবী থাকা খুব সৌভাগ্যের।

পূর্ণিমা। ফুলশিশু যে রাস্তায় ফুল বিক্রি করে। তাকে খুশি করতে হৃদয়ের চেষ্টার শেষ নেই। পূর্ণিমার মায়ের মৃত্যুতে আমি খুব কষ্ট পেয়েছি এবং আমার মুখ থেকে বের হয়ে যায়, আহারে বেচারা। এটা না হলেও পারতো।

শেষে যে লাইনটা দিয়ে আমার লেখাটা শেষ করতে চাই তা হুবহু তুলে দিলাম।
                             “একজন চাষা যখন জমিতে ফসল ফলায় তখন সে মাটির সঙ্গে কথা কয়, বলদের সঙ্গে কথা কয়, লাঙ্গলের সঙ্গে কথা কয়, সাপজোঁকের সঙ্গে কথা কয়, নিজের কপালের সঙ্গে কথা কয় এমনকি সৃষ্টিকর্তার সঙ্গেও কথা কয়।" আর রাজনীতিবিদ নামের মুখোশধারী, তোমরা?

সর্বোপরি, এটা লেখকের দ্বিতীয় উপন্যাস। প্রথম উপন্যাস আমাকে এতোটা টেনে ধরতে পারে নি এটা যতটা পেরেছে। বইমেলা শুরু হল। এ মাস কাটুক বই পড়ে, বইয়ের পাতার ঘ্রাণ নিয়ে আর নতুন নতুন কালেকশনে। হ্যাপি রিডিং।

লাল টিপ লাল শাড়ি
লেখকঃ মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী
প্রকাশনীঃ ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ( প্যাভিলিয়ন-২)
দামঃ ১৫০ টাকা